সৌরভ কুমার কর্মকারের রাজনৈতিক জীবনের হাতেখড়ি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে। ছাত্রজীবনে রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে দলীয় প্রতিটি কর্মসূচিতে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। তার এই দীর্ঘ পথচলা কেবল পদোন্নতির গল্প নয়, বরং জেল-জুলুম আর ত্যাগের এক ধারাবাহিক ইতিহাস।
গত ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের পূর্বে ফ্যাসিস্ট সরকারের রোষানলে পড়ে মিথ্যা মামলায় কারাবরণ করতে হয়েছিল সৌরভকে। ৫ই আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর, ৬ই আগস্ট জেলখানা থেকে বীরবেশে মুক্ত হন তিনি। কারামুক্তির পর দমে না গিয়ে বরং দ্বিগুণ উৎসাহে সনাতনী সম্প্রদায় ও যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে রাজনীতির মূলধারায় নতুনভাবে পথ চলা শুরু করেন তিনি।
বর্তমানে সৌরভ কুমার কর্মকার সান্তাহার পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং আদমদীঘি উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। ধর্মীয় ও রাজনৈতিক—উভয় ক্ষেত্রেই তার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তি সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছে।
স্থানীয় যুবদল কর্মীদের মতে, সৌরভ কর্মকার মানেই ন্যায়ের পথে থাকা এবং সংগঠনের আদর্শকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার নিরন্তর প্রচেষ্টা। তার নেতৃত্বের গুণে সান্তাহার পৌর যুবদল আরও সুসংগঠিত হবে বলে মনে করছেন সাধারণ কর্মীরা। বিশেষ করে তার অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও যুব সমাজকে সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার ক্ষমতা তাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে রেখেছে। সৌরভ কুমার কর্মকারকে ঘিরে এই প্রত্যাশার জোয়ার কেবল রাজনৈতিক বলয়ে নয়, বরং পুরো সান্তাহার পৌর এলাকায় সাধারণ মানুষের মনে এক নতুন আশার আলো ছড়াচ্ছে। সংগঠনের প্রতি তার এই নিষ্ঠা আগামী দিনে তাকে আরও বড় পরিসরে নেতৃত্বের আসনে নিয়ে আসবে বলে বিশ্বাস সংশ্লিষ্টদের।
এবিডি.কম/রাজু